এই যে জনাব, প্রতিদিন ফেসবুকে এতো যে বয়ান দেন- জাতির উদ্দেশ্যে! কোন ঘন্টা করতে পেরেছেন? প্রতিদিন তো এটা ভালো নয়, ওটা ভালো নয়, ওটা খারাপ, সব কিছু রসাতলে গেল বলে কলোরব তোলে পোস্ট দেন। নিজের অন্তরে ভালোর কোন চাষাবাদ কি করেন? আগাছায় তো ভরা সবার জী্বন বাগান!! যার যার বাড়ি যেতে পদ্মা সেতু, যমুনা সেতু পার হন দ্রুত; ‘পুলসিরাত’ পারাপারের চিন্তাই শুধু মাথায় থাকে না কারো!!!
চোখের সামনে যা দেখি তা‘কি সত্য? যা দেখতে পাওয়া যায় তার সবটুকুই কি দৃষ্টিগ্রাহ্য? যা শুনতে পাওয়া তার কতটুকু সত্য? যা অনুভব করা যায় তা‘কি হ্নদয় গভীরে অনুভূত হয়? যা মিথ্যা তার সবটুকুই কি মিথ্যা? যে অন্যায় করে বানায় অর্থ তার সবটুকুই কি অভ্যাস, না‘কি চাহিদার তাগিদ? যে জলে জন্মায় তার সবটুকুই কি জলজ? যে স্থলে জন্মায় সে জল ছাড়া বাঁচে না কেন?
যে ট্রেনটিতে আমি ছিলাম, যদি তুমি তা ধরতে না পারো; জানবে তুমি যে, আমি চলে গেছি স্টেশন ছেড়ে; শত শত মাইল দূর থেকেও তুমি ট্রেনের হুইসেলের শব্দ শুনতে শুনতে আমাকে খুঁজে পাবে।
ইয়াসমীন হয়ে যায় বিপ্লবের ওপর এক নাম (১) কমরেডগণ, ভ্যান গাড়িতে পরে থাকা ঐ মেয়েটিকে আপনারা কি চেনেন? দশ মাইলের মোড়ে হারিয়ে গেছে সে মায়ের কোল থেকে, ইয়াসমীন, কেমন যেনো স্বপ্নিল একটি নাম। কেমন যেনো ভালবাসা মাখা। কেমন যেনো মমতা ভরা নাম কিন্তুু মেয়েটা ইতিহাস হয়ে গেলো..... দশ মাইলের মোড়ে হারিয়ে গেল মায়ের কোল থেকে। সবাই যখন শেষ রাতের ঘুমের ঘোরে ঢাকা এবং দিনাজপুরে। রাত আর দিন যখন পরস্পরকে ছুঁয়ে আসে তখনই ঠিক তখনই ঘাতক , হিংস্র কিছু মানুষ অথবা পুরুষ ক্ষত-বিক্ষত করলো ইয়াসমীন নামের সুন্দর গোলাপটিকে।। ভ্যান গাড়িতে পুলিশ রূপী শয়তান এসেছিলো ওরা সংখ্যায় কত জন? ওরা যে অজস্র , ওরা যে ...
জোড়া দোয়েল শহর ঢাকায় জোড়া দোয়েল শীস তুলে গায় গান; ভাবখানা সে জাতীয় পাখি সেই সুখে অজ্ঞান। পাখি জগত ছোট্ট তো নয় অনেকখানি বড়, ছোট বড় নানান জাতের পাখি আছে জানি তাদের মাঝে দোয়াল যেন বাংলাদেশে রানি। রানির কথাই উঠলো যখন, তখন বলে রাখি, আছে অনেক মানুষ জানি মোটেই পাখি পছন্দ না, পুষে কুকুর নানা রকম। পাখির জগত বিচিত্র যে জানতে তাদের মানা।
