আমি এখনও পাহারের পাদদেশে দাঁড়িয়ে আছি, তবুও বিশ্বাস করি পায়ে পায়ে একদিন ঠিকই পৌঁছে যাব চূঁড়ায়, তুমি মাঝ পথে কখনও আমার হাত ছারতে পারবে না, কারণ তুমি আমার বন্ধু। চৈত্রের খরতাপে আমি পুরে যাবার ভয় করিনা, বৈশাখে কাল বৈশাখীর তাণ্ডব আমাকে ভাবায় না, আষাঢ়ের অঘোষিত কাল মেঘের বুক চিরে যখন তখন নেমে আসতে পারে অঝর ধারায় বৃষ্টি, তবুও জানি তোমার ছাতার নিচে আমার জন্য একটু যায়গা ঠিক বরাদ্দ থাকবে, কারণ তুমি আমার বন্ধু। পৌষের হাড় কাঁপানো কনকনে শীতের রাতে, নরম বিছানা বালিশ ফেলে তোমার সাথে বাইরের খোলা আকাশের নিচে সারারাত আড্ডা দিতে পারি, আমি জানি তুমি আমার জন্য অন্তত খড় কুটো জ্বালি...
আমি সেই দিনটিকে আর্শিবাদ মনে করি। যেদিন তোমাকে আমি জীবনের সীমান্তে খুঁজে পেলাম। বিনীতভাবে আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করলাম; হোক শুরু এখান থেকেই। কেড়ে নিও না একজনের বেহেশতি সুখ।
পারিজাত ফুটেছে অনেক, দেবকাঞ্চনের শাখায় শাখায় দখিণার উন্মুক্ত উল্লাস; শিহরিত কথোপকথন। কথোপকথন শেষ হলে, চলে খানিকতা স্বপ্ন বুণন।
নিকানামা একটি নিকানামা লেখা হবে; তাই প্রস্তুত একটি ছেলে একটি মেয়ে্। কলম হাতে লিখতে তৈরি কাজি সাহেব- নিকানামা লিখবেন তিনি। অমুকের কন্যার সাথে শাদী মোবারক অমুকের পুত্রের; নতুন কাহিনীর শুরু হতে চলে; নিকানামা লেখা শেষে; বৈশাখী ঝড়ের পড়ে, আষাঢ়- শ্রাবণের অবিরাম বৃষ্টি শেষে, সাদা মেঘের ভেলায় ভাসা শরতের আশ্বিনে অথবা শিশির ঝরা হেমন্তের কোন বিকেলেও এভাবেই লেখা হবে হয়তোবা একটি কাবিননামা! অনন্তকাল ধরে। কী আশ্চর্ একুশ শতকের পৃথিবীতেও লেখা হয় নতুন নতুন কাবিননামা।
নিঃশব্দচরণে আসে বর্ষা ভেজা রাত। সমুদ্রবেলায় খেলা করে বৃষ্টি অবুঝ শিশু। ঢেউগুলো কানে কানে না না কথা ভেঙে ভেঙে বলে। অবোধ বালিকা বরষা দাঁড়িয়ে সাগরপারে।।
