তারপর পাখিরা ফিরে গেল। শীতের শেষে ঘরমà§à¦–à§‹ সব। তà§à¦®à¦¿ শà§à¦§à§ ফিরে à¦à¦²à§‡ না। পà§à¦°à¦¤à¦¿à¦¶à§à¦°à§à¦¤à¦¿ কেবলি à¦à¦¾à¦ªà¦¸à¦¾ হয়ে আসে। কà§à¦°à¦®à§‡ কà§à¦°à¦®à§‡ সব কিছৠহারিয়ে যায়। পà§à¦°à¦¥à¦® দেয়া গোলাপ ফà§à¦² শà§à¦•িয়ে যায়। মà§à¦›à§‡ যায় à¦à¦¿à¦¡à¦¿à¦“গà§à¦²à§‹à¥¤ ফোনের মেমরি ডিলিট হয়ে যায় তবà§à¦“- হাতরে ফিরি সà§à¦¬à¦ªà§à¦¨à¦•ে, হাতরে ফিরি সà§à¦®à§ƒà¦¤à¦¿à¦•ে।।
সৌমà§à¦¯ অবয়ব মানà§à¦·à¦Ÿà¦¾ আর নেই! চৌয়ানà§à¦¨ হাজার বরà§à¦— মাইলের মানচিতà§à¦°à§‡à¦° বà§à¦•ে হেà¦à¦Ÿà§‡ চলা à¦à¦• সৌমà§à¦¯ অবয়ব মানà§à¦· আর নেই আমাদের মাà¦à§‡à¥¤ রাজশাহীর আম বন ছà§à¦à§Ÿà§‡ কবে সে পা রাখে মহাসাগরের ওপারে ইমোরি বিশà§à¦¬à¦¬à¦¿à¦¦à§à¦¯à¦¾à¦²à§Ÿà§‡à¦° সবà§à¦œ চতà§à¦¬à¦°à§‡à¥¤ à¦à¦•দিন আটলানà§à¦Ÿà¦¾à¦° সà§à¦ªà¦°à§à¦¶ নিয়ে ফিরে আসে তরà§à¦£ à¦à¦‡ বাংলার শà§à¦¯à¦¾à¦®à¦²à¦¿à¦®à¦¾à§Ÿà¥¤ তারপর সময় ...
অদà§à¦à§‚ত কথাসব গà§à¦žà§à¦œà§à¦°à¦¿à¦¤ হয়, সà§à¦¬à§‹à¦§à§‡à¦° আশেপাশে নেকড়েরা দনà§à¦¤à¦¨à¦– বিকশিত করে; ঠকেমন রাতà§à¦°à¦¿ বল! à¦à§‹à¦° যদি না হয়, সà§à¦°à§à¦¯à§‹à¦¦à§Ÿ যদি না দেয় দেখা? পà§à¦°à¦¾à¦£à§‡à¦° সà§à¦ªà¦¨à§à¦¦à¦¨ নেই. মৃত à¦à¦• জনগোষà§à¦ à§€ হাহাকার করে। পà§à¦°à¦¤à¦¿à¦¦à¦¿à¦¨ রাজপথে, বহূতল শপিংমলে অরà§à¦¥à¦¹à§€à¦¨ বাকà§à¦¯ বিনিময়; ‘সà§à¦¬à§‹à¦§à§‡à¦°â€™ কথা নাহি কয়!! কেন তবে ‘সà§à¦¬à§‹à¦§à§‡à¦°à¦¾â€ পালিয়ে বেড়à...
আমার মৃত্যুর পরে বাজবে না কোনো সিম্ফনি হবেনা কোন শোকসভা; চ্যানেলগুলোতে যাবে না কোন ব্রেকিং নিউজ। অথচ আমিও তো ছিলাম সবার মাঝে, সবার জীবনে, অথবা কারো কারো জীবনের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে। এই দেশে, এই শহরে অথবা এই পৃথিবীতে কিংবদন্তি হতে গেলে কী কী গুণাবলীর অধিকারী হতে হয় তা আমার জানা নেই; হয়তোবা তাই আমার কোন কিছুই হওয়া হলো না। আমি না হলাম চারণ কবি, না হলাম বাউল; হতে পারলাম না বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ, কবি অথবা সাহিত্যিক। হয়তো কিছুই হইনি আমি তবু মানুষ তো আমি! এ স্বপ্নেই যেন বিভোর থাকে মন। এ জীবনে মানুষ হতে পারার আনন্দ কেউ কেড়ে নিতে পারবে না। কর্পো...
নিকানামা একটি নিকানামা লেখা হবে; তাই প্রস্তুত, একটি ছেলে একটি মেয়ে্। কলম হাতে লিখতে তৈরি কাজি সাহেব- নিকানামা লিখবেন তিনি। অমুকের কন্যার সাথে শাদী মোবারক অমুকের পুত্রের; নতুন কাহিনীর শুরু হতে চলে; নিকানামা লেখা শেষে; বৈশাখী ঝড়ের পড়ে, আষাঢ়- শ্রাবণের অবিরাম বৃষ্টি শেষে, সাদা মেঘের ভেলায় ভাসা শরতের আশ্বিনে অথবা শিশির ঝরা হেমন্তের কোন বিকেলেও এভাবেই লেখা হবে হয়তোবা একটি কাবিননামা! অনন্তকাল ধরে। কী আশ্চর্য একুশ শতকের পৃথিবীতেও লেখা হয় নতুন নতুন কাবিননামা। লেখা হয়, লেখা হয় দ্রুত তা মুছে ফেলার জন্য।।
