“দেখো দà§à¦Ÿà¦¿ চোখ বিসà§à¦«à¦¾à¦°à¦¿à¦¤ করে, আমি বাঘ, সà§à¦¨à§à¦¦à¦° বনের দà§à¦¯ রয়েল বেঙà§à¦—ল টাইগার। à¦à¦¬à¦‚ আমার নাম লেখো সবার উপরে, কà§à¦°à¦¿à¦•েট জয়ে অথবা পরাজয়ে; দয়া করে লিখে রাখো- আমি ঘৃণা করি না কাউকে, আমি কেড়ে নিইনি বনের অবারিত পà§à¦°à¦¾à¦£ বৈচিতà§à¦°à§à¦¯à¥¤ তবৠযখন আমি অনাহারী আমি নিরà§à¦¦à§à¦¬à¦¿à¦§à¦¾à§Ÿ ছিà¦à§œà§‡ খাই কাচা মাংস। অততà§à¦°à¦¬, হে লো...
à¦à¦–ন নানা পথ নানা মত পরসà§à¦ªà¦°à§‡à¦° বিরà§à¦¦à§à¦§à§‡; সà§à¦¬à§‹à¦§ তà§à¦®à¦¿ চà§à¦ªà¦šà¦¾à¦ª থাকো। ওরা সবাই যার যার মতো সব কিছà§à¦‡ দখল করে নেবে তà§à¦®à¦¿ শà§à¦§à§ চেয়ে রবে à¦à¦•াকী দলহীনà¦à¦¾à¦¬à§‡à¥¤ à¦à¦–নতো সময় দলাদলির, সà§à¦¬à§‹à¦§à§‡à¦° দল নেই কোনো; তà§à¦®à¦¿ তো কেবল বহà§à¦œà¦¨à§‡à¦° খাবলাখাবলির শিকার। শীতের পাখিরা তবৠপরিযায়ী হয়, তোমার জনà§à¦¯ খোলা নেই কোনো পথ, অবারি...
জন্মের সময় আমি কালো ছিলাম, যখন আমি মায়ের স্নেহে বেড়ে উঠলাম তখনো আমি কালো। সূর্য যখন তার অনাবিল রশ্নিতে আমাকে উষ্ণ করে তুললো তখনও আমি কালো। ভয়ে যখন আমি শংকিত তখনও আমার মুখের রং কালো। অসুস্থ, ক্লান্ত আমি, মুখশ্রী আমার তখনও কালো। এবং মৃত্যু এসে যখন আমায় আলিঙ্গন করলো তখনও কালো মানুষ আমি কালোই রয়ে গেলাম। আর সাদা মানুষ তুমি, জন্ম নিলে যথন তখন তুমি কী অপরূপ গোলাপী! তারপর মায়ের কোলে, আদরে বেড়ে উঠলে ধবধবে সাদা হয়ে। সূর্যের প্রখর তাপে তুমি লাল হয়ে উঠলে, শীতের চরম শীতলতা তোমায় করলো নীল। এক সময় ভীত সন্ত্রস্ত তুমি হয়ে গেলে পীত বর্ণের, অসুস্থ তুমি বর্ণে সবুজ, আর মৃত্যুর কোলে ...
তুমি আছো আতলান্তিকের ওপার, আমি বাংলাদেশ। কুশল সংবাদ সুধালে, বল, ‘আল্লায় রাখছে ভাই’। এই কার্তিকের মাসে, কেমন চলছে জীবন তোমাদের? সিত্রাং এর জলোচ্ছাসে ভেসে গেছে আমনের ভরা ক্ষেত। মেঠো ইঁদুরের ঘর ভেঙে চুরমার।। মাছগুলো ঘেড় ভেঙ্গে ভেসে গেছে সব। তবুও একটু হেসে জবাব দাও,‘আল্লায় রাখছে ভাই’। নেই কোনো অভিযোগ কারো কাছে, কেবলই মেনে নাও ভাগ্যে যা লেখা আছে তাই! তবুও তো যাও তুমি ভাগ্যান্বেষণে বহুদূর দিগন্তের পথে; মহাসাগরে ভেসে যাও বিশাল পালহীন নৌকায়। তারপর সাগরের বুকে হয় সলিল সমাধি। আর প্রিয় মুখগুলো মানচিত্র আঁকড়ে পড়ে থাকে।।
এখনও জোনাকি পোকারা গ্রীষ্মের কোন এক দীর্ঘ রাতে প্রকৃতিতে আলোর নির্দেশনা দেয় অন্ধকার ঘন হয়ে এলে; আধুনিকা, তিলোত্তমা শহরের ফ্লোরেসেন্ট আলোর নীচে জোনাক পোকার লুসিফারিণের আলো এখন বড্ডো বেশি বেমানান লাগে। জলবায়ু, আবহাওয়া, বিশ্বমন্দা, যতোসব তাত্ত্বিক কথা, হারানো গেছে তাই; প্রেম, প্রকৃতি, বাস্তুতন্ত্র ইত্যাদি, মৌলিক গাঁথায় বোনা হবে শীতের লেপ-কাঁথা। ড্রোন আর মিশাইলের আন্তরিক বন্ধুত্বে বিচলিত ঘাস ফড়িং, লক্ষ্মিপেচাঁ, মেঠো ইদুঁরেরা বাস্তুহীন ছুটে চলে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ পানে; শুধু পুড়ে যাওয়া ঘাস, অরণ্য অপলক চেয়ে থাকে নিশুতি রাতে অগণিত নক্ষত্রের দিকে, সেখানেও একদিন প...
